বুধবার সকাল থেকেই চোপড়ার দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ প্রদর্শন ও ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে ভারতীয় জনতা পার্টি । বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ১১৬ নম্বর কুলাগাঁও বুথের প্রাক্তন বুথ সভাপতি আব্দুল জব্বার ও তাঁর এক সহকর্মী পঞ্চায়েত অফিসে কাজ নিয়ে গিয়েছিলেন। সেই সময় স্থানীয় তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য জাহিরুল ইসলাম তাঁদের ওপর চড়াও হন। বিজেপির দাবি, দল নিয়ে কটু কথা বলার পাশাপাশি তাঁদের কলার ধরে ধাক্কা মেরে পঞ্চায়েত অফিস থেকে বের করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ঘটনার প্রতিবাদে এদিন সকাল থেকে দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। বিক্ষোভ চলাকালীন সাধারণ সরকারি কর্মচারীদের ঢুকতে দেওয়া হলেও, প্রধান, উপপ্রধান বা কোনও পঞ্চায়েত সদস্যকে ভেতরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। ঘটনাস্থলে উপস্থিত শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি অসীম বর্মন ও চোপড়া বিধানসভা কনভেনার মিহির দাস জানান, অভিযুক্ত সদস্যের বিরুদ্ধে আইনি ও দলগত ব্যবস্থা না নেওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। পরবর্তীতে পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধান পৌঁছালে বিজেপি কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন। তবে দুই পক্ষের আলোচনার পর পরিস্থিতি আয়ত্তে আসে। পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধানের তরফে জানানো হয়, অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে । পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের এই আশ্বাসের ভিত্তিতে আপাতত বিক্ষোভ স্থগিত করেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা এবং পঞ্চায়েতের কাজ স্বাভাবিক হয়। তবে বিজেপির স্পষ্ট হুঁশিয়ারি, প্রতিশ্রুতি পূরণ না হলে এবং আগামী দিনে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে তাঁরা আরও বৃহত্তর আন্দোলনে নামবেন।