নিউজডেস্ক: মালদহের চাঁচলের গৌড়হন্ড এলাকায় মঙ্গলবার সকালের স্বামীর হাত থেকে কোনো রকমে প্রানে বেঁচে রেনু মহালদার থানায় হাজির হন। সেখানে স্বামীর নামে পুলিশে অভিযোগ করেন ঐ গৃহ বধূ। অভিযোগ পেয়েই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগ হতেই স্বামী শচীন মহালদার এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
চাঁচলের এসডিপিও শুভেন্দু মণ্ডল বলেন, ‘‘পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সব খতিয়ে দেখে আইনমাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’
পুলিশ ও বধূর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রতুয়ার রুকুন্দিপুরের রেনুর ১৬ বছর আগে বিয়ে হয়। তাদের চার মেয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক রয়েছে বলে অভিযোগ। সেজন্য রেনুকে একাধিকবার বাড়ি থেকে চলেও যেতে বলেন। এ ছাড়া সংসার চালানোর জন্য তাকে কোনও খরচই দেন না।
অনটনের জেরে তিন মেয়েকে বাপের বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। দেড় বছরের মেয়েকে নিয়ে থাকতেন স্বামীর সাথে। এদিন সকালে ফের তার কাছে শচীন মদ খাওয়ার টাকা চান। টাকা না পেয়ে চলে যায় সে।খানিক বাদে মদ খেয়ে বাড়িতে ফিরেই বেধড়ক মারধর শুরু করে। পেছন থেকে গলা চেপে ধরে। কিন্তু অনেক চেষ্টার পর কোনও রকমে প্রান বাঁচিয়ে পালায়। মালদার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় আক্রান্ত মহিলাকে।
- দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও ভারতীয় জনতা পার্টির

- অভিযুক্ত জেলে, তবুও ঘরে ফিরতে পারছেন না পরিবারের ২১ সদস্য— নিরাপত্তার আবেদন

- বাম আমলে মাটি পড়েছিল, তৃণমূল জমানায় নরককুণ্ড গোপলা গ্রামের রাস্তা; ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা

- ৩ মাস ঘরছাড়া গুলিকাণ্ডের অভিযুক্তের পরিবার : আর্জি বাড়ি ফেরার

- বাম আমলে মাটি পড়লেও তৃণমূল জামানায় এগোয় নি রাস্তার কাজ : ক্ষোভ গোপলা গ্রামে
