নিউজডেস্ক: দেবরাহা চা বাগানের দখলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ, গুলি, আহত ১ মহিলা। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন। এলাকা শান্ত রাখতে দুটি অস্থায়ী ক্যাম্প বসানো হয়েছে এলাকায়। ঘটনার সূত্রপাত হাপ্তিয়াগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের আমবাড়ি, লোধাবাড়ি এলাকার দেবরাহা চা বাগানের মালিকানা হস্তান্তর নিয়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় দেবরাহা চা বাগানের মালিক বাগানটি গত আটমাস আগে স্থানীয় এনামুল হক নামে এক ব্যক্তিকে বিক্রি করেন। সমস্ত কাগজপত্র ঠিক করে বাগানের দখল নিতে গেলে বাগানের কিছু শ্রমিকের সঙ্গে মালিকপক্ষের বিবাদের সৃষ্টি হয়। সেই বিবাদকে কেন্দ্র করে গতকাল দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে গুলি চালানোর অভিযোগ আনেন শ্রমিক পক্ষের লোকেরা। ঘটনায় এক মহিলা আহত হন। এই ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার না করার প্রতিবাদে আদিবাসী সিঙ্গেল অভিযানের পক্ষ থেকে কালাগঞ্জ বাস স্ট্যান্ড এলাকায় রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো হয়। ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে অবরোধকারীদের সঙ্গে আলোচনা করে আশ্বস্ত করলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।
এই চা বাগানের দখল নিয়ে গত 20-25 দিন ধরে এলাকায় অশান্তির বাতাবরণ তৈরি হয়, স্থানীয় আদিবাসী শ্রমিকদের অভিযোগ এই বাগান তোরই সময় তাদের বাবা দাদুরা জমি দিয়েছিলেন এবং এই বাগানের উপর নির্ভর করেই তাদের জীবন জীবিকা চলে হঠাৎ করে এইভাবে টুকরো টুকরো করে জমি বিক্রি করায় তাদের জমি এবং কাজ হারানোর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিজেদের জমি এবং কাজকে বাঁচাতে ওই বাগানের মধ্যে অস্থায়ী তাঁবু টানিয়ে পাহাড়া দিচ্ছে আদিবাসী শ্রমিকেরা। অন্যদিকে মালিকপক্ষের দাবি সমস্ত আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়েই এই বাগান কেনা হয় কিন্তু বাগানের দখল নিতে গেলে ওই বাগানের কয়েকজন শ্রমিক এবং বহিরাগত কিছু মানুষ এসে বাগানকে দখল করার চেষ্টা করে এলাকায় ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করেছে। সমস্ত বিষয়ে জানিয়েছি প্রশাসনকে।প্রশাসন প্রশাসনের মত কাজ করছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতা জাহিদুল রহমান জানান, স্থানীয় এনামুল হক দেবরাহা চা বাগান কেনেন। সমস্ত বৈধ কাগজপত্র নিয়ে ৮ মাস বাগান পরিচালনাও করেন কিন্তু হঠাৎ করেই গত ২০-২৫ দিন ধরে ঐ বাগানের কিছু শ্রমিক এবল কিছু বহিরাগত লোক দেবরাহা চা বাগান এবং স্থানীয় ক্ষুদ্র চা চাষীদের বাগান দখল করে রেখেছে। আমরা দলগতভাবে সমস্ত বিষয় চোপড়ার বিধায়ককে ও চোপড়া থানায় জানিয়েছি । পুলিশ প্রশাসন সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। এলাকাকে শান্ত রাখতে পুলিশ এবং জেলাশাসকের প্রতিনিধি ঘটনাস্থলে পৌঁছে সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করলেও সমস্যার কোন সুরাহা হয়নি।
- দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও ভারতীয় জনতা পার্টির

- অভিযুক্ত জেলে, তবুও ঘরে ফিরতে পারছেন না পরিবারের ২১ সদস্য— নিরাপত্তার আবেদন

- বাম আমলে মাটি পড়েছিল, তৃণমূল জমানায় নরককুণ্ড গোপলা গ্রামের রাস্তা; ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা

- ৩ মাস ঘরছাড়া গুলিকাণ্ডের অভিযুক্তের পরিবার : আর্জি বাড়ি ফেরার

- বাম আমলে মাটি পড়লেও তৃণমূল জামানায় এগোয় নি রাস্তার কাজ : ক্ষোভ গোপলা গ্রামে
