এনকাউন্টের পর শুনশান এলাকা। আতঙ্কে বাসিন্দারা। এ ছবি গোয়ালপোখর থানার মালিটলা, ঝাড়বাড়ি এলাকার। উল্লেখ্য গত ১৫ জানুয়ারি গোয়ালপোখর থানার পাঞ্জিপাড়া এলাকায় দুই পুলিশ কর্মীকে গুলি করে পালিয়ে গিয়েছিল বিচারাধীন আসামি সাজ্জাক আলম। সেই ঘটনার পর থেকে গোটা রাজ্যে তোলপাড় হয়ে উঠে। ঘটনার পরে দিন পাঞ্জিপাড়া এলাকায় ছুটে আসেন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজেশ কুমার। সেই দিনেই পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় করা পদক্ষেপের আশ্বাস দেন তিনি। ঘটনার পর থেকে নাম উঠে আসে আব্দুল হুসেন ওরফে আবালের। আব্দুল একজন বাংলাদেশি দুষ্কৃতী। গতকাল সকালে গোয়ালপোখর থানার কিচকটলা এলাকায় পুলিশের এনকাউন্টের নিহত হয় অভিযুক্ত সাজ্জাক আলম। এই সাজ্জাক আলমকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ পালানোর সহযোগিতা করে আব্দুল হুসেন ও শেখ হজরত। শনিবার শেখ হজরত কে গ্রেফতার করে ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। অন্যদিকে পলাতক আব্দুল হুসেন ওরফে আবালের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।
ঘটনার পর থেকেই আতঙ্কে রয়েছে এলাকার বাসিন্দারা। তবে পুলিশ এনকাউন্টের অভিযুক্ত সাজ্জাক আলমের মৃত্যুতে খুশি এলাকার বাসিন্দারা।