ইসলামপুর কপলসের এডমিনের গ্রেফতারিতে বড়সড় সাফল্য পেল ইসলামপুর সাইবার থানা। অভিযুক্ত এডমিনকে গ্রেপ্তার করে ইসলামপুর আদালতে পেশ করা থেকে শুরু করে ইসলামপুর আদালত চত্বরে আইনজীবীদের বিক্ষোভ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। অভিযুক্তকে ঘুরপথে আদালত চত্বর থেকে পুলিশের বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের  কাজে বাধা দেওয়া হয়।সমস্ত নাটকীয় মুহূর্তের মধ্যে দিয়ে অভিযুক্তকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিল ইসলামপুর মহকুমা আদালত। ইসলামপুর সাইবার থানা সূত্রে জানা গিয়েছে, ইসলামপুর কপলস নামে একটি ফেসবুক পেজে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পরিবারের ছবিকে এডিট করে অশ্লীলভাবে পোস্ট করতো।এর পরেই   ইসলামপুর সাইবার থানায় অভিযোগ জমা হতে শুরু করে। ইসলামপুর কপলসের পেজে প্রায় ২২০০ পোস্ট করা হয়েছিল। এই পোষ্টের পরিপ্রেক্ষিতে প্রায় ১৫টি অভিযোগ ইসলামপুর সাইবার থানায় দায়ের করা হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে ইসলামপুর সাইবার থানা তদন্তে নেমে গুজরাট থেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য বিহারের কিশানগঞ্জ জেলার উদগারা এলাকার বাসিন্দা অভিযুক্ত সোনু কুমারকে গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার অভিযুক্তকে ইসলামপুর আদালতে তোলা হয়। বিচারক অভিযুক্তকে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে বলে ইসলামপুর সাইবার থানা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইসলামপুর আদালত চত্বর থেকে অভিযুক্তকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে যাওয়ার সময়ই বিপত্তি ঘটে। ইসলামপুর বার এসোসিয়েশনের আইনজীবীদের দাবি অভিযুক্তকে তার মুখ ঢেকে নয় খুলে নিয়ে যেতে হবে। এই দাবিকে ঘিরেই ইসলামপুর মহকুমা আদালত চত্বরে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইসলামপুর সাইবার থানার ওসি দুলাল চন্দ্র রায় ইসলামপুর থানার আইসি হীরক বিশ্বাস সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী আদালত চত্বরে মোতায়েন করা হয়। ঘুর পথে কালো কাচওয়ালা গাড়িতে অভিযুক্তকে নিয়ে যেতে সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা ছবি তুলতে গেলে তাদের কাজে পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠে। সমস্ত উত্তেজনার মধ্যে অভিযুক্তকে সম্পূর্ণ নিরাপত্তার সাথে আদালত চত্বর থেকে পুলিশি হেফাজতে নিয়ে যায় ইসলামপুর থানার পুলিশ। সংবাদ মাধ্যমের কাজে বাধা দেওয়ার বিষয়টির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ইসলামপুরের আইনজীবীরা।

By nb24x7

দিনদুনিয়ার খাসখবর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *