নিউজডেস্ক: গত শুক্রবার খারিজ হয়েছে রাজ্যের চাকুরিরত ৩৬০০০ শিক্ষক শিক্ষিকাদের। তার আগেও চাকরি হারিয়েছে হাইস্কুলের গ্রুপ ডি, গ্রুপ সি ও সহ শিক্ষকদের। চাকরি চুরি কান্ডে একের পর একে জেলে রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ একাধিক বিধায়ক। এরমধ্যেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, DA আন্দোলনকারীদের জন্যই ঐ ৩৬০০০ শিক্ষক শিক্ষিকাদের চাকরি খোয়াতে হয়েছে। অন্য দিকে তিনি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন ‘এখনও পিএসসি থেকে শুরু করে সমস্ত জায়গায় শুধু কো-অর্ডিনেশন কমিটির লোকেরা বসে আছেন। আমাদের ছেলেপেলেদের চাকরি হচ্ছে না। যত চাকরি ওরা আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে ম্যানিপুলেট করে। আজও সেই ট্র্যাডিশন চলছে, কারণ আমি কাউকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করিনি।’
তিনি এর সাথে আরও জুড়ে দেন, বিডিও থেকে জয়েন্ট সেক্রেটারি, সবই আলিমুদ্দিনে ঠিক হয়। এমনকি রাজ্যে সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি ও বদলিও নিয়ন্ত্রণ করে কো-অর্ডিনেশন কমিটি। সিপিএমকে কটাক্ষ করে মমতা বলেন, ‘২০০০ সালের কাগজ খুঁজুন, ১৯৮০ সালের কাগজ খুঁজুন, পাবেন না একটাও।’ অপর দিকে DA আন্দোলনকারীদের হরিশ মুখার্জি রোডে তাঁর বাড়ির সামনে দিয়ে মিছিল করে তার তীব্র সমালোচনা করেন। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, ঐ মিছিলের জন্য ঘন্টা খানেক পথ অবরুদ্ধ হয়ে যায়। যার ফলে সমস্যা পরে স্থানীয় বাসিন্দারা।
অন্য দিকে মুখ্যমন্ত্রীর ঐ সাংবাদিক বৈঠকের পরে রাজ্য জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। সমালোচনা করছে ডিএ আন্দোলনকারীরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনরা বলছেন, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বা ওনার মন্ত্রীরা বুঝিয়ে দিলে ভালো হয় যে কি ভাবে DA আন্দোলনের জন্য ঐ ৩৬০০০ এর চাকরি গেলো।
অপর দিকে সিপিএম প্রসঙ্গে দোষারোপ করার পর সিপিএম নেতৃত্ব কি পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার।
- দাসপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত ঘেরাও ভারতীয় জনতা পার্টির

- অভিযুক্ত জেলে, তবুও ঘরে ফিরতে পারছেন না পরিবারের ২১ সদস্য— নিরাপত্তার আবেদন

- বাম আমলে মাটি পড়েছিল, তৃণমূল জমানায় নরককুণ্ড গোপলা গ্রামের রাস্তা; ক্ষোভে ফুঁসছেন বাসিন্দারা

- ৩ মাস ঘরছাড়া গুলিকাণ্ডের অভিযুক্তের পরিবার : আর্জি বাড়ি ফেরার

- বাম আমলে মাটি পড়লেও তৃণমূল জামানায় এগোয় নি রাস্তার কাজ : ক্ষোভ গোপলা গ্রামে
